মঙ্গলবার, ১১ এপ্রিল, ২০১৭

তুলনা

আজকের অংশ -১১-০৪-১৭

তুলনা হচ্ছে ছোট্ট একটা মেয়ের নাম । সে ১ম শ্রেণীর ছাত্রী, খুব চটপটে ভালই লাগে দেখতে; না !!! আমি এমন কোন তুলনা'র কথা বা ঘটনা বলবো না ।আজ বলবো অন্য তুলনা'র কথা।

দু'জন ছেলে-মেয়ে একসাথে বসবাস করে ভাই-বোন তারা দু'জন। একে অপরকে তুই বলেই সম্বোধন করে যেহতু তারা ভাই-বোন।তারা প্রতিদিন এক সাথে ক্লাসে যায়, এক সাথে বাসায় আসে, বাজারেও যায়। তাদের এমন ভাই-বোনের হৃদ্যতা দেখে সবাই অবাক !! কেউ-কেউ আবার চুলকানি যুক্ত কথাও বলে।

"এইডা রে কয় ভাই বোন, রাইতে দেখি একসাথে আবার বাসার ছাদে দেখি গলাগলি করে বসে থাকে । কেউ দেখলে গলাগলি ছাইড়া দেয় কি ব্যাপার রে ক' দেখি।" আরে দূর ! বাদ দে তো আজাইরা আলাপ তুই খালি-খালি উল্টা-পাল্টা কথা কস, থাম !! " 

এই কথা গুলো দুই বন্ধুর মাঝে হচ্ছিল, যারা এই ভাই বোনের হৃদ্যতা দেখে প্রায়ই অবাক হত।একদিন দু'জন ছাদে বসে কি যেন কথাবার্তা বলছে সেটা সন্ধ্যার কিছুক্ষণ পর। মেয়েটা ছেলের দিকে তাকিয়ে কি যেন বিড়-বিড় করে কিছু বলছে তারপর ছেলেটা হাত  দিয়ে মেয়ের চুলগুলো ঠিক করে দিচ্ছে এলোমেলো তাই। যতই অন্ধকার হচ্ছে তারা দু'জন ক্লোজ হয়ে বসছে।যখন ছেলেটা মেয়েটার খুব ................................চলবে।

মঙ্গলবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০১৬

সম্পর্কের গভীরতা

আজকের অংশ..(২০-১২-১৬)
সম্পর্কের মধ্যে সবচেয়ে  মজার ও আকর্ষণীয় হচ্ছে,  সম্পর্ক যখন আস্তে-আস্তে তার গভীরতা বৃদ্ধি করতে থাকে।সেটা যে কোন জীবের মধ্যেই হয়ে থাকে।আমাদের সমাজে কিছু কেন্দ্রীয় চরিত্র বা সম্পর্ক আজ খুবই ফোকাস হচ্ছে সেইসাথে সম্পর্কের ফাটল বা ভাঙ্গনও কিন্তু সমানতালে চলছে। আমারা জানব  শিক্ষামূলক লিখনির মাধ্যমে। সম্পর্ক আসলে গভীর হয় কিভাবে? ভেঙ্গে যায় কেন? কি ভুল গুলো আমরা বার-বার করি ? এই ভুল গুলো কেন চক্রাকারে মানুষ করতেই থাকে। ভুল গুলো কিভাবে শুধরাবেন, তা থেকে বিরত থাকার  উপায় কি হতে পারে? ভুল থেকে শিক্ষা নেয় না কারা?

 ............................... চলবে


শুক্রবার, ২৫ নভেম্বর, ২০১৬

আমার চাওয়া

এই  যে, তুমি কিন্তু আমার খোঁজ খবর নিচ্ছ না , আমি সারাদিন কি করি, কি খাই , এত সময় কিভাবে কাটাই । খোঁজ নিয়ে দেখ কখনও । অফিসে থাকা অবস্থায় একবারও তো নিজে থেকে ফোন দিয়ে খোঁজ নিতে চাও না । কেন.... ?? কেন?? এমন কর আমার সাথে আমি তো মানুষ আমারও একটা চাওয়া পাওয়া আছে । কি ! কথা বলেছো না কেন ??? 


(২৭.১১.১৬)

স্বামী: শোনো তোমার কোন কথার উত্তর আমি আজ দিতে পারব না শুধু এতটুকু বলতে পারবো আমি তোমাকে অনেক মিস করি এবং খুব চেষ্টা করি স্মরণ করার।

স্ত্রী: এসব মন গলানো কথা বলে লাভ নাই, কি কর তুমি অফিসে সারাদিন একটু জানতে চাই  । বল না প্লিজ। আমি শুধু জানতে চাই পাঁচ মিনিট সময়ও কি তুমি পাও না ?

স্বামী: হুমম !!! চলো  একসাথে বসে ভাত খাব এবং খাওয়া শেষে আড্ডা দিব।

স্ত্রী: না, না আমি এসব মানি না আজ বলতেই হবে।

স্বামী: (একটু নরম ও হালকা কন্ঠে বলল ) দেখো আমি না তোমাকে একটা জিনিস বুঝাতে পারি না, পরে বলবো তো সবকিছু কেন ওমন করছো। লক্ষীটি প্লিজ খেতে চল পরে বলছি

(২৮.১১.১৬)

স্ত্রী: (ভারাক্রান্ত মনে আর শুকনো মলিন বদন নিয়ে বলল) ঠিক আছে খাব  তবে  একটা শর্ত আছে ।

স্বামী: (কৌতুহলি ভাব নিয়ে আনন্দ নি:শ্বাস নিয়ে) ঠিক আছে কি শর্ত বল..

স্ত্রী: তুমি- আমি একসাথে আজ রাতে ছাদে বসে আড্ডা দিব । তুমি রাজি ?

স্বামী: (একটু  ইতস্তত ভাব নিয়ে বলল)  রাতে... ছাদে ! আচ্ছা ঠিক আছে । চল এবার খেতে চল।

খাবার টেবিলে গিয়ে স্বামী বলল.. কি রান্না করেছো? স্ত্রী বলল.. তোমার একটা পছন্দের আইটেম । বলতো কি?? স্বামী বলল.. কি আইটেম বল না।  
 স্ত্রী বলল .. খাবার টেবিলে এসেই দেখ না।

স্বামী: হুমম !! আসছি ,আসছি । ওয়াও !! কবুতরের সাথে রসুন দিয়ে ঝোলে ভরপুর, লাল, কি সুস্বাদের ঘ্রাণ যেন না খেয়েই জিভে জল চলে আসে। কি যে আনন্দ লাগছে আমার, তুমি এত সুন্দর রান্না করতে পার আগে জানতাম না তো। এতদিন কি আমার সাথে অভিনয় করেছো??

স্ত্রী: হুম !! আরও সারপ্রাইজড আছে ছাদে গিয়ে বলব । ... 


৩০.১১.১৬

স্বামী: কি সারপ্রাইজড? হঠাৎ এত উৎফুল্ল  লাগছে কি ব্যাপার বল তো ?

স্ত্রী খুব আনন্দ নিয়ে ভীষণ মায়াবী চোখে তাকিয়ে বলল .. শোন আমি আজ আমার জীবনের ছোট্ট একটা ঘটনা শেয়ার করব যদি তুমি শুনতে চাও তবেই বলব।
স্বামী: হুমম বল । আমি শুনতে চাই ।

স্ত্রী: চল ছাদে যাই তারপর বলি ।

স্বামী বলল ঠিক আছে চল , কি এমন ঘটনা যা তোমাকে এত আনন্দ দিচ্ছে ।

স্ত্রী ছাদে গেল, এক কোণে দুটো চেয়ার, পাশে দু'টো ফুলের টব সেখানেই স্বামীকে বলল বসার জন্য । 

স্বামী চেয়ারে বসল ঠিক সেই মূহুর্তে দেখতে পেল তার স্ত্রী একটা সুন্দর শাড়ি পরিহিত অবস্থা । অথচ প্রথমে স্ত্রী'র পরনে সেলোয়ার কামিজ ছিল । আসলে কিছু না । শুধু কল্পনা করল যে, তার স্ত্রীকে শাড়ি পরলে ঠিক অপূর্ব, অদৃশ্য ডানাকাটা পরীর মত লাগবে। 

ঠিক পাঁচ মিনিট একা একা বসে ভাবছিল, এমনি স্ত্রী এসে বলল কি ব্যাপার ! কি চিন্তা করছো ? স্বামী বলল... কিছু না এই তো..

বল তোমার ঘটনা বল; যা তোমাকে এত  আনন্দিত করছে। 

স্ত্রী বলল.. ঠিক আছে বাবা বলছি, তবে  একটা কথা আমারা দু'জন একসাথে পাশাপাশি বসব।আর তুমি আমাকে জড়িয়ে ধরে থাকবে যতক্ষণ আমি ঘটনা বলতে থাকব।

স্বামী বলল ওকে। বল এবার , বেশি রাত হয়ে যাবে কিন্তু। 

স্ত্রী বলল শোন বলছি , আমি একদিন আমাদের বাড়ির পাশ দিয়ে যাচ্ছিলাম তখন আমার মাথার উপর একটা কিছু যেন যাচ্ছে আমি ভাবছিলাম। আমাদের বাড়ির পাশে আবার একটা বিশাল জাম গাছ আছে । খু্ব সুস্বাদু  জাম হয় প্রতি বছরই। আমি জাম গাছের কাছে যখনই গেলাম তখনই একটা ছোট্ট শিশু একদম বয়স কম আমাকে বলল.. আম্মু-আম্মু । আমি একটু ভয় পেয়ে যাই হঠাৎ এই বাচ্চা কোথ থেকে।

 স্বামী বলল তারপর ... কি হল ??


১৯-১২-১৬

স্বামী জানতে চাইল তার স্ত্রীর কাছে আসলে ঘটনা টা কি ? 

কিন্তু স্ত্রী একটু ভয় কাতুরে অবস্থায় বলল ,, জানো আমি না ঐ দিন ভীষণ ভয় পেয়েছিলাম । ছোট্ট বাবুর আম্মু-আম্মু ডাক শুনে; তার পর শিশু বাচ্চাটি আমাকে বলল আমি তোমাকে একটা জায়গায় নিয়ে যাবো তুমি যাবে?

তখন স্ত্রী জবাব দিল ভয়ে-ভয়ে  বললো যাবো; তবে তুমি কে? বলবে লক্ষী বাবু সোনা।

 শিশুটি বললো..  হুমমম.,,, বলব । তবে তুমি কি আমার আব্বুর সাথে আরও রাগ করবে ? তখন স্ত্রী বলল আচ্ছা আমি আর রাগ করবো না । তবে চলো ........।

আসলে এটা ছিল স্ত্রীর উদ্দেশ্যমূলক বানানো স্বপ্ন কাহিনী। এটা বলার উদ্দেশ্য ছিল খুশির খবরটা একটু বাস্তব রূপে তুলে ধরা। যখনি স্বামী বুঝলো যে তার স্ত্রী মা' হতে চলছে তখনি স্বামী খুব খুশি হয়ে স্ত্রীর সাথে আলিঙ্গন করলো আর বললো তোমার জন্য আমি সব সময় কাটা কবুতরের মত মনটা ছটফট করে শুধু মুখ ফুটে বলতে পারি না। তুমি যদি আবার দূর্বলতা ভাবো; সেই ভয়ে। আসলে  ভালবাসাটা মুখে নয় অন্তর দিয়েই অনুভব করা লাগে। তুমি অনেক-অনেক ভাল মানুষ, রূপবতী আমার মনের আয়না  "i love you" এই বলে স্বামী আবারও স্ত্রী কে জড়িয়ে ধরে আদর করলো। আর স্ত্রী'ও খুশি হল এবং দু'জনে মধুর রাত্রি যাপন করতে ছাদ থেকে রূমে প্রবেশ করল। 




         ........................................******..........................................








............... নিত্য নতুন কাহিনী জানতে প্রতিদিন ভিজিট করুন আর মন্তব্য করুন আমার ব্লগে।

বৃহস্পতিবার, ২৪ নভেম্বর, ২০১৬

উদাত্ত ভালবাসাই ভাল চরিত্র

রাগ-অনুরাগ জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ, পৃথিবীর মাঝে ভালবাসাগুলো বেঁচে থাকে তাদের কর্ম-কাজ আর বিশাল ত্যাগের উদারতা দ্বারা।,,,,,,,,,,,,,,,, 

চরিত্রই সম্পদ, টাকা পয়সা মানুষের সম্পদ নয়।চরিত্রবান মানুষই যুগের পর যুগ মানুষের অকৃত্রিম ভালবাসায় সিক্ত হয়। চিরস্মরণীয় হয়ে থাকে।,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,

জীবনের ক্ষতি


ভাল মানসিকতা


ভাল মানুষ

"আমাদের দেশে হবে সেই ছেলে কবে
কথায় না বড় হয়ে কাজে বড় হবে।"
যদি উপরের লিখাটা সার্বজনীন করে লিখতেন আমাদের কবি... তবে কেমন হতো। এখানে শুধু ছেলে কেন ? মেয়েও তো হতে পারতো? তাই একটু .. গুছিয়ে বললে মনে হয় ভুল হবে না।
"আমাদের দেশে হবে সেই মানুষ কবে
কথায় না বড় হয়ে কাজে বড় হবে।"